ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম–এর স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় শহীদ জিয়াউর রহমান হল কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ/
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন—
প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, ডিন, কলা অনুষদ ও কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের মহাসচিব
প্রফেসর ড. সেকান্দার আলী, ডিন, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ
প্রফেসর ড. আলিনুর রহমান, অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
ড. আ. ব. ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশরাফী, সাবেক ডিন, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ
প্রফেসর ড. একে এম মতিনুর রহমান, আহবায়ক, সাদা দল, ইবি
প্রফেসর ড. আখম আ খ ম ওয়ালিউল্লাহ, অধ্যাপক, আল হাদিস বিভাগ
প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম, সাবেক প্রভোস্ট, শহীদ জিয়াউর রহমান হল
প্রফেসর ড. জাকির হুসাইন, সাবেক প্রভোস্ট
প্রফেসর ড. আব্দুর রহমান আনোয়ারী, সাবেক প্রভোস্ট
প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, গ্রিন ফোরাম
সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা/
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. আব্দুল গফুর গাজী, প্রভোস্ট, শহীদ জিয়াউর রহমান হল।
সঞ্চালনা করেন প্রফেসর ড. আহম্মদ নুরুল ইসলাম।
উপস্থিত ছাত্রনেতৃবৃন্দ/
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন:
মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইবি শাখা ছাত্রদল
নুর উদ্দিন, ছাত্রদল প্রতিনিধি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল
মো. গোলাম রব্বানী, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইবি
মোহাম্মদ ইউসুব আলী, সাধারণ সম্পাদক, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইবি শাখা
মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির, শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা
ইসমাইল হোসেন রাহাত, সভাপতি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ইবি
ভাইস-চ্যান্সেলরের বক্তব্য/
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন—
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই ইতিহাসে অমর নন; তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার পরিসরকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, মুক্তচিন্তা ও শিক্ষাবান্ধব নীতির প্রতিফলন। আমরা আজ তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, গবেষণাধর্মী ও আন্তর্জাতিকমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।”
ভিসি আরও বলেন—
“শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, চরিত্র গঠন ও একাডেমিক উৎকর্ষই হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল চালিকা শক্তি। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ ধারণ করে দেশগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
দোয়া ও সমাপনী/
আলোচনা পর্ব শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
===
তথ্য ও জনসংযোগ অফিস