News & Event

24
Jun 26

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট হস্তান্তর--- বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার রূপরেখা প্রতিফলিত

VIEW
23
Jun 26

অফিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় দিন

VIEW
20
Jun 26

অফিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে ওয়ার্কশপ

VIEW
20
Jun 26

জাপানি শিক্ষা ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভাইস চ্যান্সলেরর বৈঠক, নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা

VIEW
20
Jun 26

কুষ্টিয়ায় গ্রিন কুষ্টিয়া-ক্লিন কুষ্টিয়ার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন- বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ইবি ভাইস চ্যান্সেলরের

VIEW
18
Jun 26

মেগা প্রকল্পের (৩য় পর্যায়-১ম সংশোধিত) অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্নের নির্দেশ ভাইস চ্যান্সেলরের

VIEW
18
Jun 26

শিক্ষা-শিল্পের সেতুবন্ধনে পাবিপ্রবিতে মুক্ত আলোচনা

VIEW
06
Jun 26

Islamic University Delegation Now Visiting University of Gävle, Sweden under RESHAPE Project

VIEW
04
Jun 26

IU Delegation Meets Rector of Turku University of Applied Sciences, Finland.

VIEW
02
Jun 26

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

VIEW

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের

 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর। এই ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ধর্মীয় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বহুধর্মীয় সমাজব্যবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা যে কেবল জ্ঞানচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশেও তাৎপর্যপূর্ণ—এটা তারই প্রতিফলন। তিনি আজ, ২২ জানুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয় সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানে এ এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও সমান অধিকারভিত্তিক শিক্ষাঙ্গন। সংবিধানসম্মত ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর ধর্মীয় অনুভূতি ও চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যেই সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই অবস্থান বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এটি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহনশীলতার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা সমাজে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা পৌঁছে দেবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রো ভাইস চ্যান্সেলর মনে করেন, ধর্মীয় সহনশীলতা কোনো একক পক্ষের দয়া নয়; এটি একটি সভ্য ও প্রগতিশীল সমাজের মৌলিক ভিত্তি। তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও মানবিক মূল্যবোধে সবাই সমান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি এই চর্চাকে ধারণ করে, তবে তা জাতীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
 
++++
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস