News & Event

07
Feb 26

ইউজিসি চেয়ারম্যানস পদক-এ ভূষিত হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সাহিদা আখতার

VIEW
07
Feb 26

চীনা দূতাবাসে ভাইস চ্যান্সেলরের বৈঠক

VIEW
07
Feb 26

বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-জিপি ভিত্তিক প্রকিউরমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

VIEW
07
Feb 26

বার্ষিক আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃ হল স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
01
Feb 26

গবেষণার মাধ্যমে ইসলামের প্রায়োগিক বিধানগুলোর কল্যাণ জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে

VIEW
28
Jan 26

উচ্চশিক্ষায় এক্রিডিটেশন বিষয়ক প্রেরণামূলক কর্মশালা

VIEW
24
Jan 26

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের

VIEW
24
Jan 26

সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা

VIEW
24
Jan 26

বিনামূল্যে ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড : এক অন্য মাত্রা যোগ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা সেবায়

VIEW
24
Jan 26

ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

VIEW

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের

 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর। এই ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ধর্মীয় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বহুধর্মীয় সমাজব্যবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা যে কেবল জ্ঞানচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশেও তাৎপর্যপূর্ণ—এটা তারই প্রতিফলন। তিনি আজ, ২২ জানুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয় সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানে এ এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও সমান অধিকারভিত্তিক শিক্ষাঙ্গন। সংবিধানসম্মত ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর ধর্মীয় অনুভূতি ও চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যেই সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই অবস্থান বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এটি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহনশীলতার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা সমাজে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা পৌঁছে দেবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রো ভাইস চ্যান্সেলর মনে করেন, ধর্মীয় সহনশীলতা কোনো একক পক্ষের দয়া নয়; এটি একটি সভ্য ও প্রগতিশীল সমাজের মৌলিক ভিত্তি। তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও মানবিক মূল্যবোধে সবাই সমান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি এই চর্চাকে ধারণ করে, তবে তা জাতীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
 
++++
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস