News & Event

16
Feb 19

দিনব্যাপী “বার্ষিক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা : পরিপ্রেক্ষিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়” শীর্ষক কর্মশালা

VIEW
14
Feb 19

একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইবিতে তিন দিনব্যাপী বই মেলা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

VIEW
11
Feb 19

রংপুর বিভাগীয় ছাত্র কল্যাণ সমিতির আয়োজনে পিঠা উৎসব।। সকল আঞ্চলিক সম্প্রীতিবোধকে জাতীয় সম্প্রীতিতে রূপান্তরিত করতে হবে :: প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী

VIEW
10
Feb 19

ইবিতে সরস্বতী পূজা উদযাপন ।। জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কাজ করে যেতে হবে :: প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী

VIEW
09
Feb 19

ইবিতে উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নে নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত নেতৃত্ব হলো নিজে জানা, মানা এবং অন্যকে জানানো -------------- প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী

VIEW
08
Feb 19

ইবিতে পিআইসি সভায়- ড. রাশিদ আসকারী: দুর্ণীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না

VIEW
06
Feb 19

“মোহন জলের জালে” কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কবিতা মানব সমাজের প্রথম শিল্পকর্ম ------------ প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকরী

VIEW
05
Feb 19

ইবিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনাসভা গ্রন্থ হয়ে উঠুক মানুষের জীবন চলার দিকদর্শন -------------- প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী

VIEW
04
Feb 19

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

VIEW
02
Feb 19

ইবিতে দিনব্যাপী “বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা” শীর্ষক কর্মশালা

VIEW

ইবিতে নতুন ৩টি অনুষদ খোলা হয়েছে ॥ ডিন নিয়োগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন একের পর এক যুগান্তকারী ও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকীকরণের পথে এগিয়েনিতে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-  রশিদ আসকারীর (রাশিদ আসকারী) সাহসী ও দক্ষ নেতৃত্বকে সার্বিক  সহযোগিতা 

করে চলেছেন প্রো- ভাইসচ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর 

ড. মোঃ সেলিম তোহা। 

প্রশাসনের এই তিন কর্ণধার বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে এক ওঐক্যবদ্ধভাবে রাতদিন পরিশ্রম 

করছেন। যে কোন সমস্যাকে তাঁরা পাশ না কাটিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা করছেন। আর এ কারণেই 

অতীতের সকল প্রশাসনের চেয়েউন্নয়ন ও সফলতার শীর্ষে অবস্থান করছেন বর্তমান প্রশাসন।

গত ১৩ নভেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আরও একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন 

বর্তমান প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনেরঅবসান ঘটিয়েছেন। তাঁরা বিজ্ঞান 

অনুষদকে ভেঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদ এবং বিজ্ঞান অনুষদ করেছেন। এর ফলেএ বিভাগের শিক্ষার্থীরা একদিকে পাবে বিজ্ঞানের মান এবং অপরদিকে পাবে প্রকৌশলীর মান। এছাড়া মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদকে ভেঙ্গে মানবিক অনুষদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ করেছেন। এখন থেকে ৫টি অনুষদের পরিবর্তে ৮টি অনুষদের অধীনে ৩৩টি বিভাগ পরিচালিত হবে। এ খবর শিক্ষার্থীদের কানে পৌছানো মাত্রই উল্লসিত হয়ে 

উঠে  তারা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তের মধ্যেই সংবাদটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয় যা দেশব্যাপী আলোড়িত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা অব্যাহত রয়েছে। আজ (১৪ নভেম্বর) সকাল থেকেইভাইস চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে 

উপস্থিত হয়ে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (রাশিদ আসকারী), 

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃশাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম 

তোহাকে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগসহ বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের পক্ষ থেকেফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উল্লেখ থাকে যে, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ও ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির দাবিতে ২০০৮ সালে বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর 

একই অনুষদের শিক্ষক হওয়ায় আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি পূরণের স্বপ্ন দেখে। সে সময় ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরশিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিভিন্ন উদ্যোগ 

গ্রহণ করলেও সফল হননি। পরবর্তীতে এ দাবিতে আবারও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চলমান রাখে।

অবশেষে গত ১৩ নভেম্বর বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেন। তাঁরা বিজ্ঞান অনুষদকে ভেঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদ, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদ ও বিজ্ঞান 

অনুষদ এবং মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদকে ভেঙ্গে মানবিক অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান 

অনুষদ করেন। সেইসাথে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. 

মমতাজুল ইসলামকে, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. মহাঃ আনোয়ারুল হককে, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. এস এম মোস্তফা কামালকে, 

মানবিক অনুষদের ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান 

অনুষদের ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. নাসিম বানুকে নিয়োগ দেন। বর্তমান প্রশাসনের এই 

যুগান্তকারী পদক্ষেপ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকীকরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে 

নিয়ে যাবে বলে বিভিন্ন মহল মনে করেন।